ব্রেকিং নিউজঃ
 
Mon, 20 Nov, 2017

 

 

 

 

     
 

মার্চে কাউন্সিলের চিন্তা বিএনপির

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ জাতীয়/ ৯ জানুয়ারি/ চলতিবছর মার্চে দলের ষষ্ঠ কাউন্সিল করার চিন্তা করছে বিএনপি। পৌর নির্বাচন ও ৫জানুয়ারিকেন্দ্রিক দলীয় তৎপরতা শেষ হওয়ার পর এখন তৃণমূল গোছানোর দিকে জোরদিতে চায় বিএনপি।

এ সপ্তাহেই দল পুনর্গঠনের কাজে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তনেতারা বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বেশির ভাগ জেলাকমিটি গঠন শেষ করার টার্গেট নেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পুরোপুরি তৃণমূলগোছানো শেষ না হলেও কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুনর্গঠনকার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান বলেছেন, পৌরনির্বাচন ও ৫ জানুয়ারিতে দলের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। এখনতাদের মূল কাজ অবশিষ্ট জেলাগুলোর কমিটি গঠন। সুচারুভাবে দ্রুত কাজটি শেষকরা হবে। তিনি জানান, দলের বেশ কিছু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে। সেসববিষয় চূড়ান্ত করতে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে। গত বছরআগস্টে জেলা ও এর অধীন সব কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয় বিএনপি। কিন্তুঅক্টোবরের মাঝামাঝি থেকেই পৌর নির্বাচনের ডামাডোল বেজে ওঠায় এ প্রক্রিয়াবাধাগ্রস্ত হয়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে পৌর নির্বাচনে অংশ নেয় দলটি। গত ৩০ডিসেম্বর নির্বাচন শেষ হয়েছে।
মো. শাহজাহান বলেন, পৌর নির্বাচনেঅংশগ্রহণ দল পুনর্গঠনে সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে। কারণ মামলা-হামলায় জর্জরিতনেতাকর্মীরা নির্বাচনে মাঠে নামার চেষ্টা করেছেন; তৃণমূল সংগঠনও এর ফলেউজ্জীবিত হয়েছে। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গামাটি, কুড়িগ্রাম, নেত্রকোনা, নীলফামারী, ফরিদপুরসহ আট-দশটি জেলায় কমিটি গঠনপ্রক্রিয়া শেষহয়েছে। আরো ২০ থেকে ২৫টি জেলায় সম্মেলনের উদ্যোগ দ্রুত নেয়া হবে। এ বিষয়ে এসপ্তাহেই জেলাপর্যায়ে কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা পাঠানো হবে। দলের ভারপ্রাপ্তমহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় একটি টিম দুই-তিন দিনেরমধ্যে বৈঠক করে দল পুনর্গঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন।
দলীয় সূত্রেজানা গেছে, দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া দ্রুত একটি কাউন্সিল করতে চান। এজন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রধানত দলেরপূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচন, স্থায়ী কমিটিসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিরগুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পরিবর্তন আনা হবে।
দলটি মনে করছে, দ্রুতনির্বাচনের দাবির সাথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সক্রিয় সব রাজনৈতিকদল একমত। গণতন্ত্র না থাকায় দেশে যে অস্থিরতা চলছে, নতুন নির্বাচন আয়োজনছাড়া তা দূর করা সম্ভব নয়।
কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করেন বিএনপিরশীর্ষপর্যায়ের এমন এক নেতা বলেছেন, সরকারের টানা দমন-পীড়ন ও নানামুখীবঞ্চনায় জনমনে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক মহলও সোচ্চার।প্রভাবশালী দেশগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খুবই অসন্তুষ্ট। তারানানা ভাষায় এর প্রতিবাদই কেবল করছে না, কী করা উচিত তা-ও বলে দিচ্ছে।কিন্তু সরকার তা আমলে নিচ্ছে না। বিএনপির এই নেতা বলেন, বাহ্যিক দৃষ্টিতেসরকার কোনো চাপে নেই বললেও তারা খুবই অস্বস্তিতে দিন পার করছে। তিনি দাবিকরেন, এই অস্বস্তি সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে। বিএনপিও এ ক্ষেত্রে তৎপরতাচালিয়ে যাবে। যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান বলেন, এ বছরের মধ্যেই জাতীয়নির্বাচন চান তারা। আর এ জন্য দল গুছিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচিচালিয়ে নেয়া হবে।

সংবাদ শিরোনাম