ব্রেকিং নিউজঃ
 
Sat, 23 Sep, 2017

 

 

 

 

     
 

কুমড়ো গাছে লাউ!

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ সাহিত্য/ ১৬ জুলাই/ ক্রেতা : এই আয়নার কী ধরনের গ্যারান্টি আছে?
বিক্রেতা : ১০০ তলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেন নিচে...৯৯ তলা পর্যন্ত যদি ভাঙে তাহলে পয়সা ফেরত।

ইউরোপ-আমেরিকায়উচ্চ শিক্ষা লাভ করে দেশে ফিরেছেন এক কৃষি বিশেষজ্ঞ। গ্রামে গিয়ে একচাষীকে উপদেশ দিচ্ছিলেন - বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করতে শেখো। পুরনো রীতিতেচাষ করলে ফসল কিছুই বাড়বে না। তোমার ওই লাউ গাছটার দিকে তাকাও। এত রুগ্ন যেওতে যদি পাঁচটা লাউ ধরে আমি খুবই অবাক হবো।
নির্বিকার চাষী : পাঁচটা কেন? একটা লাউ ধরলেই আমি অবাক হবো আরো বেশি।
কৃষি বিশেষজ্ঞ : কেন!
চাষী : কারণ ওটা লাউ গাছ নয়, কুমড়ো গাছ।
হক সাহেবের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন রহমান সাহেব।
হক সাহেব : আসুন আসুন! এ যে দেখছি গরিবের বাড়িতে হাতির আগমন।
রহমান সাহেব : তাহলে পালাই। প্রথমেই হাতি বানালেন। তারপর যদি কলাগাছ খেতে দেন, তবেই সেরেছে।
শিক্ষক : শীতকালে পাখিরা দক্ষিণে উড়ে যায় কেন?
ছাত্র : হাঁটার জন্য দক্ষিণাঞ্চল খুব দূর হয়ে যায় বলে।
ছেলে : আচ্ছা বাবা, তোমার মুখটা কেমন সেটা তো তুমি জানো। জানো না?
বাবা : কেন জানবো না? অবশ্যই জানি। এটা জানতে চাইলি কেন?
ছেলে : তোমার দাড়ি কামানোর আয়নাটা আমি ভেঙে ফেলেছি।
ছেলে : মা আনিসের সঙ্গে একটু খেলতে যাই?
মা : না। তোমার ওই আনিসকে আমার একটুও ভালো লাগে না।
ছেলে : তাহলে ওকে একটু মারধোর করে আসি?

সংবাদ শিরোনাম