ব্রেকিং নিউজঃ
 
Thu, 18 Jan, 2018

 

 

 

 

     
 

কুরবানীর চামড়া দানে সঠিক পথ অবলম্বন করুন

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ ধর্ম/ ২৭ আগস্ট/ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন, ধর্মব্যবসায়ী তথা মাস্তান, গুণ্ডা ও হিরোইনখোরদের কুরবানীর চামড়া দিলে কুরবানী আদায় হবে না। কোনোজনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে, ধর্মব্যবসায়ী তথা সন্ত্রাসীতৈরিকারী মাদরাসাগুলোতে এবং ভয়ে বা হাতে রাখার উদ্দেশ্যে মাস্তান, গুণ্ডা

হিরোইনখোরদের কুরবানীর চামড়া দিলে কুরবানী আদায় হবে না। খালিক্বমালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যেতিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা নেক কাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজেপরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদকরেন, ‘যে কেউ একটা বদ কাজের সূচনা করলো যতজন তাতে শরীক হলো তাদের সবারগুনাহ যে বদ কাজের সূচনা করবে তার উপর গিয়ে পড়বে। তাইকোনো জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে, ধর্মব্যবসায়ী তথা সন্ত্রাসীতৈরিকারী মাদরাসাগুলোতে এবং ভয়ে বা হাতে রাখার উদ্দেশ্যে মাস্তান, গুণ্ডা ওহিরোইনখোরদের কুরবানীর চামড়া দিলে কুরবানী আদায় হবে না। কুরবানীএকটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা খাছ সুন্নতে রসূলছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুন্নতে খলীল আলাইহিস সালাম। আর উম্মতেহাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই কুরবানীদেয়ার সাথে সাথে কুরবানীর চামড়া কোথায় দেয়া হবে সেটিও একটিগুরুত্বপূর্ণ বিষয়।পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সমগ্রস্থানে খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আগে ঈমানআনার কথা বলেছেন পরে আমলেরকথা বলেছেন। একখালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে প্রায় সবাই মানে কিন্তুসাইয়্যিদুনা হাবীবুনা রসূলুনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নামানার কারণেই অর্থাৎ আক্বীদার পার্থক্যের কারণেই পৃথিবীতে মুসলমান ব্যতীতহাজারো বিধর্মী তথা কাফিরের দল রয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষায় তারাসবাই জাহান্নামী যদি তওবা-ইস্তিগফার করে ঈমান না আনে।শুধুকাফির সম্প্রদায়ই নয়, মুসলমান নামধারী অনেক মাওলানা, শাইখুল হাদীছ, মুফতী, মুফাসসির, খতীব তথা অনেক ইসলামী দলও রয়েছে যাদের মূলত খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সম্পর্কে আক্বীদা অশুদ্ধ রয়েছে। কাজেই তারা মুসলমান নামধারীহলেও তারা মুসলমানগণের অন্তর্ভুক্ত নয়। তারা ইসলামী দল নামধারী হলেও আসলেতারা মুসলমানগণের অন্তর্ভুক্ত নয়। দ্বীন ইসলাম-এমৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ হারাম। দ্বীন ইসলাম উনার নামে ব্যবসা করা হারাম।দ্বীন ইসলাম উনার নামে আব্রাহাম লিংকন কে অনুসরণ করা হারাম।বর্তমানেঅধিকাংশ মাদরাসাগুলোই হচ্ছে সন্ত্রাসী তৈরির সূতিকাগার। দ্বীন ইসলাম উনারদোহাই দিয়ে, দ্বনি ইসলাম উনার নামে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক স্বার্থ ওপ্রতিপত্তি হাছিলের প্রকল্প। পাঠশালা- যা দ্বনি ইসলাম উনার আলোকে সম্পূর্ণহারাম। কুরবানীর চামড়া কোথায় দেয়া হচ্ছে তাদেখে দিতে হবে। সন্ত্রাসী মৌলবাদী তথা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে কুরবানীরচামড়া দিলে তাতে কুরবানী আদায় হবে না। সন্ত্রাসীদেরমাদরাসায় কুরবানীর চামড়া দিলে তাতে বদ আক্বীদা ও বদ আমলের প্রচারেসহায়তা করা হবে। সন্ত্রাসী-ও ধর্মব্যবসায়ী তৈরিতে সাহায্য করা হবে। তাতেলক্ষ-কোটি কবীরা গুনাহে গুনাহগার হতে হবে তথা কুরবানী ফাসিদ হবে। ধর্মব্যবসায়ীদেরমাদরাসায় কুরবানীর চামড়া না দেয়া খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাকউনার নির্দেশ। খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব সাইয়্যিদুলমুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ তথা সন্তুষ্টির কারণ। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাধ্যমে নির্দেশ করেন, “তোমরানেককাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদকাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করোনা। খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনারহাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে কেউ একটা বদ কাজের সূচনা করলো যতজন তাতে শরীকহলো তাদের সবার গুনাহ যে বদকাজের সূচনা করবে তার উপর গিয়ে পড়বে। পত্রিকাররিপোর্টে পাওয়া যায়, সন্ত্রাসীরা তাদের নিয়ন্ত্রিত মাদরাসায় সংগৃহীতকুরবানীর চামড়ার মাধ্যমে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা আয় করে। যা মূলত তাদেরবদ আক্বীদা ও বদ আমল তথা ধর্মব্যবসা ও সন্ত্রাসী কাজেই ব্যয়িত হয়।অনুরূপভাবেকোন জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকেও কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িযহবে না। কারণ তারা তা আমভাবে খরচ করে থাকে। যেমন রাস্তা-ঘাট, পানিরব্যবস্থা, বেওয়ারিশ লাশ দাফন করার কাজে। অথচ কুরবানীর চামড়া গরীবমিসকীনদের হক্ব। তা গরীব মিসকিনদের মালিক করে দিতে হবে। আফযালুননাস বাদাল আম্বিয়া হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি যাকাতেরএকটি রশির জন্যও জিহাদ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। যাকাতের একটি রশিরমতই কুরবানীর একটি চামড়াও যাতে ভুল উদ্দেশ্যে ও ভুল পথে পরিচালিত না হয়সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খালিক্ব, মালিক, রবমহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “কুরবানীর রক্ত ও গোশত কিছুই আল্লাহ পাকউনার দরবারে পৌঁছায় না। পৌঁছায় তোমাদের বিশুদ্ধ নিয়ত।কাজেই বিশুদ্ধনিয়তে কুরবানীর চামড়া ঠিক জায়গায় দিতে হবে। অনেকে পাড়ার মাস্তান, গুণ্ডাপাণ্ডা, ছিনতাইকারী ও হিরোইনখোরদের ভয়ে বা হাতে রাখার উদ্দেশ্যেতাদের কম দামে কুরবানীর চামড়া দেয়। তাহলে নিয়ত বিশুদ্ধ হবে না এবংকুরবানীও আদায় হবে না।

সংবাদ শিরোনাম