ব্রেকিং নিউজঃ
 
Tue, 19 Sep, 2017

 

 

 

 

     
 

জানেন কি গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা সুন্দর হয়

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ স্বাস্থ্য/ ১৪ ডিসেম্বর/ গর্ভবতী মহিলাদের স্বভাবতই খুব বেশি ক্ষুধা পায় এবং সেই সময়ে ঠিক মতখাওয়া দাওয়া করাটা আসলে তাঁদের জন্য খুব জরুরী। কেননা এই খাবার মায়ের সাথেসাথে শিশুর জন্যও অনেক বেশি দরকারী। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই চানতাঁর অনাগত সন্তানের গায়ের রঙ যেন উজ্জ্বল হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্যনির্বাচনের উপর সন্তানের শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে না, এটানির্ভর করে তাঁর বাবা-মা এর কাছ থেকে যে জিন পেয়েছে তার উপর। তবে প্রচলিতধারণা অনুযায়ী গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতেপারে , এমন কিছু খাবারের তালিকা পরিবারের বয়োবৃদ্ধরা দিয়ে থাকেন। সেগুলোজেনে নিই আসুন।

১। জাফরান দুধ অনেক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় জাফরান দেয়া দুধ পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রঙ ফর্সা করে।

২। নারিকেল প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুরবর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।

৩। দুধ গর্ভবতী মহিলাদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ শিশুর শরীরগঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। প্রচলিত ধারণা মোটে দুধও ত্বকের রঙ ফর্সা করতেসহায়ক।

৪। ডিম প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বিশ্বাস করা হয় যে, যদি ফর্সা বাচ্চা চানতাহলে গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় তিনমাসে ডিমের সাদা অংশ গ্রহণ করা উচিৎ।তবে সত্যএই যে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত গোটা ডিম খাওয়া মায়ের জন্য খুব জরুরী। ডিমেরঅধিকাংশ পুষ্টি গুণ এর ক্সুমের মাঝেই থাকে। তাই কুসুম খাওয়া বাদ দেয়া চলবেনা।

৫। চেরি ও বেরি জাতীয় ফল চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে।তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল খাওয়া হয় সুন্দরত্বকের জন্য।

৬। টমেটো টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এরবিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।বিশ্বাস করা হয় যে, গর্ভাবস্থায় টমেটো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হয়।

৭। কমলা কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাই শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক ভালো হবে।শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতেপারে না। তাই গর্ভবতী মায়েদের উচিত একটি সুস্থ্, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশুরজন্মের জন্য চেষ্টা করা। এজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজেরজীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলেবর্জন করা উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, খুব বেশি ওজন হলে প্রি ম্যাচিউরবেবির জন্ম হয় যা বাচ্চার আইকিউ এর উপর প্রভাব ফেলে। নিয়মিত ৩০ মিনিটব্যায়াম করুন। এতে বাচ্চার ব্রেইন এর গঠন ও অন্যান্য অঙ্গের গঠনে সহায়তাকরে। বিজ্ঞানীদের মতে গর্ভের শিশু শুনতে পায় এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।গর্ভের শিশুর সাথে কথাবলুন, গান করুন এবং ধর্মীয় বই ও বিখ্যাত মনীষীদেরজীবনী পড়ুন।কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গর্ভে থাকতে শিশু যে কণ্ঠস্বরশুনেছে জন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনলে শিশু শান্ত হয়।

মনোযোগ বৃদ্ধি করার ৬ টি সহজ পদ্ধতিপড়াশুনা করার সময় অথবা কোন কাজ করার সময় মনোযোগ (concentration) হারিয়ে ফেলা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কাজে মন বসাতে পারছি নাঅভিযোগটি অধিকাংশ সময়ই শোনা যায়। কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ (concentration in study) বৃদ্ধি করার কিছু সহজ পদ্ধতি রয়েছে (concentration tips)। তবে এসব পদ্ধতি প্রয়োগ করার আগে আত্মবিশ্বাসী হওয়াটা খুবই জরুরী।

১. কাজ শুরু করার আগে মনোযোগ নষ্ট করতে পারে এমন বিষয়গুলো দূরে রাখুন।কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে মোবাইল, টিভি ইত্যাদি বন্ধ রাখুন। পড়ার সময় এফ এম রেডিও এবং কম্পিউটার চালু রাখলে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।

২. কিছু গবেষণায় দেখা যায়, কোন কোন কাজ বা পড়ার সময় নিচু শব্দে হাল্কা যন্ত্রসঙ্গীত শুনলে তা মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।গুগল করলেই পেয়ে যাবেন এমন অনেক যন্ত্রসঙ্গীত যা ব্যবহার করতে পারেন মনোযোগ বৃদ্ধি (increase concentration) করার উপায় হিসেবে। তবে গায়ক/গায়িকা পরিবেশন করছে এমন সঙ্গীত আপনাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করবে না

৩.মেডিটেশন মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।ভোরে এবংরাত্রে ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট মেডিটেশন করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে।ফলে ধীরে ধীরে যে কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৪.যত বেশি আপনি মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখবেন গঠনমূলক কার্যক্রমে তত বেশি তার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।এ ক্ষেত্রে ব্রেইন গেমগুলো খুবই কার্যকর (concentration exercises)দাবা, সুডোকু, বিলিয়ার্ড, ক্রস ওয়ার্ড পাজল ইত্যাদি খেলাগুলো আপনার চিন্তাকরার ক্ষমতা বাড়াবে এবং মনঃসংযোগ বৃদ্ধি করবে। এছাড়া মোবাইল বা কম্পিউটারেখেলার জন্যেও প্রচুর ব্রেইন গেম রয়েছে।

৫. গবেষণায় দেখা গেছেকোন কাজ করার সময় চিউয়িং গাম চাবালে সে কাজে মনোযোগ দিতে সুবিধা হয়।তাই মনোযোগ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করতে পারেন চিউয়িং গাম। তবে লক্ষ্য রাখবেন তা যেন অবশ্যই চিনি মুক্ত হয়।

৬. ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার গবেষণায় জানা গেছেলাল রঙ স্মৃতি শক্তি এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে (improve concentration)অফিসের বা পড়ার টেবিলে লাল কোন বস্তু, লাল রঙের জামা, কম্পিউটারে লালওয়ালপেপার ইত্যাদি ব্যবহার করে আপনার আশে পাশে বাড়াতে পারেন লাল রঙ এরপ্রাচুর্য।

মহানবী (সা.)-এর হুঁসিয়ারি, যে দশটি কাজ করলে দশটি বিপদ অবধারিত !!

কিয়ামত পর্যন্ত তার উম্মতরা যাতে ন্যায়ের পথে থেকে চলতে পারে সেজন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।এ সম্পর্কিত একটি হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ-

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন আমার উম্মত ১০টা কাজ করবে, তখন তাদের উপর বিপদনেমে আসবে। রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলোঃ হে রাসূল, কি সেই দশটি কাজ? যা করলে বিপদ হবে? তিনি বললেনঃ

১। যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করা হবে।

২। যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে লুটের মাল হিসাবে গ্রহণ করা হবে (অর্থাৎ আত্মসাৎ করা হবে)।

৩। যাকাতকে জরিমানার মত মনে করা হবে।

৪। স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের অবাধ্য হবে।

৫। বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও পিতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী হবে।

৬। মসজিদে হৈ চৈ হবে।

৭। জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী।

৮। মানুষকে তার ক্ষতির আশংকায় সম্মান করা হবে।

৯। গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে যাবে।

১০। উম্মতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিশাপ দেবে। তখন আগুনের বাতাস আসবে, মাটির ধস ও দেহের বিকৃতি ঘটবে।সহীহ তিরমিযী; আততারগীব ওয়াত তারহীবঃ ৩য় খন্ডঃ ১৫৪১।

সংবাদ শিরোনাম