ব্রেকিং নিউজঃ
 
Wed, 20 Sep, 2017

 

 

 

 

     
 

মেয়র পদ ১ জন ও কাউন্সিলর পদে ৮ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ সাইফুল ইসলাম পলাশ/ নীলফামারী/ ১৫ ডিসেম্বর/ নীলফামারীর দুই পৌরসভা নির্বাচনে এক মেয়র প্রার্থীসহ ৮ কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন। জেলা নির্র্বাচন কর্মকর্তা মো. জিলহাস উদ্দিন জানান, রবিবার সকাল ৯টা থেকে শেষ সময় বিকালে ৫টা পর্যন- মনোনয়ন পত্র

প্রত্যাহারের শেষ দিনে নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভায় জাসদ (ইনু) সমর্থীত মেয়র প্রার্থী অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এ ছাড়া জলঢাকায় সংরক্ষিত নারী আসনে ১ জন এবং ওয়ার্ড কাউন্সিল ৩জন প্রার্থী এবং সৈয়দপুর পৌরসভায় ওয়ার্ড কাউন্সিল পদের ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে। পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্য ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। একজন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় এখন ৬জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতায় থাকলেন। এরা হলেন আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর (আ.লীগ), বর্তমান মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু (স্বতন্ত্র- বিদ্রোহী আ.লীগ), ফাহমিদ ফয়সাল কমেট চৌধুরী (বিএনপি), শাহ্‌ আব্দুল কাদের চৌধুরী বুলু (জাপা-এ), জলঢাকা পৌর জামায়াতের আমীর আলহাজ্ব মকবুল হোসেন (স্বতন্ত্র), শরিফুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)। এছাড়া জলঢাকা পৌরসভার ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর শাহলুনা বেগম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সফিকুল ইসলাম,৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রার্থী সাদেকুল ইসলাম ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রার্থী সহ ৪ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে এই পৌরসভায় সংরক্ষিত ৩টি নারী আসনে ১৪ জন ও ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলার পদে ৪২ জন প্রতিদ্বন্দি থাকলেন । এদিকে সৈয়দপুর পৌরসভায় ৪ জন মেয়র প্রার্থী যথাক্রমে সাখাওয়াৎ হোসেন খোকন (আঃ লীগ), আমজাদ হোসেন সরকার ভজে (বিএনপি), জয়নাল আবেদীন (জাতীয় পাটি) ও নুরুল হুদা (ইসলামী আন্দোলন) কেউ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেনি। তবে ৪ জন কাউন্সিল প্রার্থীর মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোজাহারুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাল আহমেদ এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইদ্রিস আলী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে এই পৌরসভায় সংরক্ষিত ৫টি নারী আসনে ১৮ জন ও ১৫টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলার পদে ৭২ জন প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী থাকলেন।