ব্রেকিং নিউজঃ
 
Wed, 20 Sep, 2017

 

 

 

 

     
 

চালিতাবুনিয়া-পিপুলিয়া সড়ক বেহাল

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ বরগুনা/ ১৮ সেপ্টেম্বর/ বর্ষামৌসুমে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্তে পানি ও কাদা জমেচালিতাবুনিয়া-পিপুলিয়া সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে ভোগান্তিপোহাচ্ছে পরিবহনগুলো। সড়কটি এলজিইডি নির্মাণ করলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগকেহস্তান্তরে প্রক্রিয়া চলছে। এতে

সংস্কারে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুই দফতরেরপ্রশাসনিক জটিলতা।২০১১-১২ অর্থবছরে ২ কোটি ৩০ লাখ ৮ হাজার ৫৫৯টাকা ব্যয়ে ২১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করা হয়েছিল। তিনটি ঠিকাদারিপ্রতিষ্ঠান সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে। কিন্তু এক বছরের মধ্যে সড়কটিখানাখন্দে ভরে ওঠে।সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, চালিতাবুনিয়াফেরিঘাট থেকে পিপুলিয়া বাজার পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়কজুড়ে রয়েছে খানাখন্দ।হাওলাদারবাড়ি পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়কের পিচ ও পাথর উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তসৃষ্টি হয়েছে। এসব খানাখন্দ এখন কাদাজলে পরিপূর্ণ।এছাড়াঢুষখালী, পশ্চিম সফিপুর, সবদারপুল, সোনাখালী, কালাইয়া, জয়নগর, জাফ্রাখালী, হোগলপাতি, উত্তর কাকচিড়া ও পিপুলিয়া বাজার এলাকার সড়কের অবস্থাও বেহাল। এসড়কের গর্তে যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে জনদুর্ভোগ বেড়েছে বহুগুণ।কাকচিড়া-বামন-বরিশালরুটের বিআরটিসি বাসচালক বাহাদুর মিয়া বলেন, 'এত টাকায় রাস্তা সংস্কার কইরাআমাগো কোনো লাভ হয় নাই। সংস্কারের পরপরই গাড়ির চাকায় উঠে গেছে পিচ ওপাথর।' এ বছর টানা বৃষ্টিতে রাস্তাজুড়ে আবার সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। এতে গাড়িচালানোতে রয়েছে অনেক কষ্ট ও ঝুঁকি। রাস্তায় গর্তের কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশপ্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে।বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীআনোয়ারুল হোসেন সড়কটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করে জানান, এটি এখন সড়ক ওজনপথ বিভাগের আওতায় দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করাহয়েছে। সড়কটি এলজিইডি থেকে সওজে হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলতে থাকায় এলজিইডিরপক্ষে সংস্কার করা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে বরগুনা জেলা সড়ক ও জনপথবিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরক্ত দায়িত্ব) মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি ওই সড়কটি এলজিইডি থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগে হস্তান্তর করা হচ্ছে। তবে এবিষয়ে এখনও কোনো কাগজপত্র আমাদের দফতরে আসেনি।