ব্রেকিং নিউজঃ
 
Sun, 21 Jan, 2018

 

 

 

 

     
 

সুন্দরবনের পানিতে মিশে গেল সার

বাংলাদেশ বার্তা ২৪.কম/ বাগেরহাট/ ৬ মে/ ফার্নেসওয়েলের কার্গো ডোবার পর শঙ্কার মধ্যে ছিল সুন্দরবনের সাধারণ জৌববৈচিত্র।সেই শঙ্কা কাটতে না কাটতেই এবার সুন্দরবনে ডুবে গেল সার বোঝাই কার্গো।কার্গোতে থাকা সার মিশে গেছে পূর্ব সুন্দরবনের মরা ভোলা নদীতে। ফার্নেসওয়েল বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করা হলেও পানিতে

মিশে যাওয়া এই সার পানি থেকেআলাদা করা সম্ভব নয়। ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গেপরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কায় সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ শরণখোলা থানায় একটি সাধারণডায়েরি করা হয়েছে। ৩ মে মংলা বন্দর থেকে কার্গোটি অন্তত ৩০০ টন সারনিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। কার্গোটি ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকেমরাভোলার ডুবো চরে আটকা পড়ে। গত সোমবার কার্গোর সার সরিয়ে নিতে এবং আটকেপড়া কার্গোটি উদ্ধারের জন্য মালিক পক্ষ অন্য দুটি কার্গো ঘটনাস্থলেপাঠায়। মঙ্গলবার দুপুরে উদ্ধার কাজ শুরু হয়। সন্ধ্যার দিকে আটকা পড়াকার্গোটির তলা ফেটে এক দিকে হেলে পড়লে এর এক অংশ পানিতে ডুবে যায়।বুধবার কার্গোটির আশপাশে কাউকে দেখা যায়নি। বুধবার সকালে বাগেরহাটেরজেলা প্রশাসক মুহা. জাহাংগীর আলম, সুন্দরবন বিভাগের বন সংরক্ষক সুনীল কুমারকুণ্ডু, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আমীর হুসাইন চৌধুরীও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাগেরহাট কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জয়নুলআবেদীন সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের সুনীল কুমার কুণ্ডুজানান, কার্গোডুবির ঘটনায় বনের পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কায় শরণখোলা রেঞ্জেরসহকারী বন সংরক্ষক কামাল উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট থানায় একটিসাধারণ ডায়েরি করেছেন। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আমীরহুসাইন চৌধুরীকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। সুনীল জানান, বনকর্মীরা ওই কার্গো থেকে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বেশ কিছু সার অপসারণ করেছেন। খুলনাবিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ দত্ত বলেন, এমওপিএকটি রাসায়নিক সার। এটি পানিতে সহজে গলে যায়। বিপুল পরিমাণ এই সার একটিছোট এলাকায় একসঙ্গে দ্রবীভূত হলে জলজ প্রাণী সম্পদের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকরপ্রভাব ফেলতে পারে। সুন্দরবন একটি স্পর্শকাতর এলাকা। তাই বিষয়টি মাথায়রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।