ব্রেকিং নিউজঃ
 
Tue, 21 Nov, 2017

 

 

 

 

     
 

নড়িয়ায় পদ্মার ভাঙ্গন, আতংকে শতাধিক পরিবার

বি-বার্তা/ শরীয়তপুর/ ১০ জুলাই/ শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ৫ গ্রামে পদ্মার ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত ১ সপ্তাহেগ্রাম গুলোর ৮০টি বসত বাড়ীর জায়গা ও ৫০ একর ফসমী জমি নদী গর্ভে বিলীনহয়েছে। ওয়াপদা বাজারের ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।ভাঙ্গন

আতংকে রয়েছে গ্রাম গুলোর ৬ শতাধিক পরিবার।শরীয়তপুর পাউবো ওস্থানীয় সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধিপাচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নদীতে স্রোত ও ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। গতবৃহস্পতিবার হতে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ৫টি গ্রামে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।সাহেবের চর গ্রামের ২৫টি, সাধুর বাজার গ্রামের ২০টি, পাঁচগাঁও গ্রামের১৫টি, চন্ডিপুর গ্রামের ১০টি ও ওয়াপদা গ্রামের ১০টি বসত বাড়ীর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ৫০ একর ফসলী জমি ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে। নদী ভাঙ্গনশুরু হওয়ায় ওয়াপদা বাজারের ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়াহয়েছে।সাহেবের চর গ্রামের হালিমা বেগম বলেন, ২ বছর আগে পদ্মারভাঙ্গনে সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছি। অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়েছি। এখানথেকে নদীর দুরত্ব মাত্র ২০ মিটার, যেকোন সময় আশ্রয় টুকু নদী গর্ভে বিলীনহয়ে যাবে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সব সময় আতংকে থাকতে হয়।ওয়াপদাগ্রামের হারুন হাওলাদার বলেন, আমি এ এলাকার সচ্ছল কৃষক ছিলাম। গত বছর ও এবছর আমার বসত বাড়ী এবং ১০ একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখননিঃস্ব হয়ে রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছি।ওয়াপদা বাজারের ব্যবসায়ী দেলোয়ারহোসেন বলেন, কয়েক বছর যাবত বাজারটি ভাঙ্গছে। প্রতি বছরই আমাদের পিছনেরদিকে সরে যেতে হয়। ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় গত সপ্তাহে দোকানটি সরিয়ে নিয়েছি।ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনেক আবেদনকরেছি। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শরীয়তপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীআবদুল খালেক বলেন, ভাঙ্গন রোধ করতে এবছর এখনো কোন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়াহয়নি। কয়েকটি প্রকল্প প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ শিরোনাম